ইসলামি আকীদাহ ১

আল্লাহ তায়ালা এক তাঁর কোন শরীক নাই । আল্লাহ তায়ালা অনাদি তাঁর গুনাবলী ও অনাদি । আল্লাহ তায়ালা ব্যতীত সব কিছুই তার সৃষ্ট । জ্ঞান ও চক্ষু আল্লাহ তায়ালাকে আয়ত্ব করতে পারে না । আল্লাহ তায়ালা কারো মুখাপেক্ষী নন, সবাই তার মুখাপেক্ষী। আল্লাহ তায়ালা ছাড়া কোন সত্য মাবুদ নাই । আল্লাহ তায়ালা চিরন্জীব, তার মৃত্যু নাই । আল্লাহ তায়ালার সমকক্ষ কেউ নেই । আল্লাহ তায়ালার সাদৃশ্য কিছু নাই । আল্লাহ তায়ালা প্রকাশ্য ও গোপন সব কিছুই জানেন । আল্লাহ তায়ালা সর্বদ্রষ্টা, তাঁর দৃষ্টির আড়ালে কিছুই নাই । আল্লাহ তায়ালা মৃদ ও উচ্চ স্বর সব কিছুই শোনেন । আল্লাহ তায়ালার ইচ্ছা ছাড়া কিছুই হয় না । আল্লাহ তায়ালা সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী তাঁর ক্ষমতার বাইরে কিছুই নাই । আল্লাহ তায়ালা ব্যতীত কেউ গায়েব জানেন না: এমন কি নবী ও ওলীগন ও গায়েব জানেন না । আল্লাহ তায়ালা ছাড়া কেউ হাজির-নাজির নন এমন কি নবী ওলীগন ও নন । আল্লাহ তায়ালার কোন সন্তান ও নাই স্ত্রী ও নাই । আল্লাহ তায়ালা সমস্ত সৃষ্টির স্রষ্টা । আল্লাহ তায়ালা সমস্ত সৃষ্টির পর্যাপ্ত পরিমাণ রিযিক দাতা । আল্লাহ তায়ালার হুকুম ছাড়া কোন কিছুরই জীবন মৃত্যু হতে পারে না । আল্লাহ তায়ালা সমস্ত রোগের শেফা দাতা এবং প্রয়োজন পূরণকারী । ভালো মন্দ সমস্ত ভাগ্যের নির্ধারণ আল্লাহ পাকের পক্ষ হতে হয় । মহান আল্লাহ তায়ালা আরশের উপর সমাসীন।

নাস্তিকরা ও ইসলামে প্রবেশ করছে।

কিছু লোক মানুষকে বিভ্রান্ত করার জন্য সত্যের সাথে মিথ্যার মিশ্রন ঘটিয়ে ইসলাম ধর্মের অপপ্রচারে লিপ্ত হচ্ছে । তবু ও ইসলামের জোয়ার ঠেকানো যাচ্ছে না । কুয়েতের ইসলাম প্রেজেন্টেশন কমিটিতে , গেল রমজানে ১মাসে ১১০০ লোক স্বেচ্ছায় ইসলাম ধর্মে প্রবেশ করেছে।যারা ইসলাম গ্রহণ করেছে তাদের মাঝে বিভিন্ন দেশের লোক রয়েছে , যেমন ইন্ডিয়ান, চায়নিজ , শ্রীলংকান, ফিলিপাইনী, নেপালী, আমেরিকান, ইউরোপীয়ান। ঐ সংস্থাতে কাজ করে চায়নার আমার এক বন্ধু, নাম সাঈদ। তাকে আমি প্রশ্নঃ করি, সাঈদ ভাই , চাইনিজরা কেন ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করছে?? তিনি উত্তর দিলেনঃ – কারণ তরুন মনের অস্থিরতা, যুব সম্প্রদায়ের নৈরাশ্য এবং বৃদ্ধ বয়স্কদের চাপা ক্ষোভে ধর্মহীনদের জীবন আজ অশান্তির ভাগাড়ে পরিণত হয়েছে। এ অবস্থায় নৈতিক, আধ্যাত্মিক এবং ব্যবহারিক জীবনে ভারসাম্যপূর্ণ আদর্শ ইসলামই পারে আজকের অস্থির ধর্মহীনদের প্রকৃত শান্তির পথ দেখাতে । মূলত পূর্বে যারা ইসলাম গ্রহন করেছে এই ইসলাম গ্রহন তাদের জীবনকে পাল্টে দিয়েছে । তারা ছেড়ে দিয়েছে মদ্যপান স হ নিকৃষ্ট সব মন্দ কর্ম। তাদের দেখেই নতুনরা মুগ্ধ হয়েছেন । তাদেরকে আরো যে জিনিস ইসলামের দিকে আকৃষ্ট করে তা হল ইসলামের অকৃত্রিম ভ্রাতৃত্ববোধ, পূর্ণাংগ জীবন ব্যবস্থা এবং একাত্ববাদের ধারণা। তাঁরা আর ও লক্ষ করেছেন যে, ইসলাম গুরুত্বদেয় চরিত্রের বিশুদ্ধতা, পবিত্রতা, ন্যায়পরায়নতা, ভালোবাসা, সত্যবাদিতা, প্রেমসহ চরিত্রের সৎগুণগুলির প্রতি ইসলামের গুরুত্ব, এসব দেখেই তারা মুগ্ধ হয়েছেন । তারা আফসুস করে বলেছেন, আজ পৃথিবীতে ইসলামের পরিচিতি ঘটানোর জন্য যদি মুসলিমরা চেষ্টা করতো অনেকেই সর্বনাশা নিদ্রার আবেশ কাটিয়ে উঠতো।

 

শুধু ভারত নয়, পৃথিবীর মুক্তির একমাত্র পথ ইসলাম

ইসলাম সম্পর্কে পশ্চিম বংগের একজন বিশিষ্ট ধর্মীয় ও রাজনৈতিক প্রবীন নেতা শ্রী সত্যাচরণ ঘোষের মন্তব্য যা কলকাতার সাপ্তাহিক মীযান এর ২৯শে মার্চ ৮৭ সংখ্যায় প্রকাশিত হয়েছে তা নিম্নে তুলে দেয়া হলঃ

শুধু ভারত নয়, পৃথিবীর মুক্তির একমাত্র পথ ইসলাম
শ্রী সত্যাচরণ ঘোষ

গত ১৬ই মার্চ সোমবার হাওড়া জেলার খাড়িয়া ময়নাপুর উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নবী দিবসে বক্তব্য রাখতে গিয়ে ভারতীয় যাদব মহাসভার পশ্চিম বংগ শাখার সাধারণ সম্পাদক শ্রী সত্যাচরণ ঘোষ মহাশয় বলেনঃ “নবীকে জানা ছাড়া ভারতবাসীর কোন পথ নেই । ছাত্রদের নবীকে জানার প্রবণতার প্রশংসা করে ছাত্রদের প্রতি আস্থা স্থাপন করে তিনি বলেন, তারা যেন আগামী দিনের ভারতবর্ষকে ইসলামাইজড করার দায়িত্ব নেয়।” তার মতে, কোরআন হাদীস শুধুমাত্র কোন ধর্ম নয়, এ পৃথিবীর এক মহান আদর্শ । বিশ্বের শতকরা পঁয়তাল্লিশ ভাগ মানুষ এ আদর্শ মেনে নিয়েছে । বেদ, বুদ্ধ ও যীশুর উদ্ধৃতি দিয়ে তিনি বলেন, এরা সবাই শেষ নবী যে আসবেন ঘোষণা করে গেছেন । বেদের ভাষায়, শেষস্বর্গীয় দূতকে কলকি অবতার বলা হয়েছে । আর সেই কলকি অবতার যে হযরত মুহাম্মদ ( সাঃ ) তা বেদের সূত্র ধরে সহজেই প্রমাণ করা যায় ।

তিনি বলেন কোন ধর্ম অপর ধর্মকে আঘাত করতে শেখায়নি- ভালবাসতে শিখিয়েছে । মুসলমানদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেনঃ “আপনারা জন্মসূত্রে মুসলমান হয়ে ইসলামের মহান উদ্দেশ্যে লক্ষ্য না বুঝে কর্ম ক্ষেত্রে অপর মতবাদের চাটুকদারী করেছেন।” ঐতিহাসিক সুরজিত দাসগুপ্তের ভারতবর্ষ ও ইসলাম নামক গ্রন্থ থেকে উদ্ধতি দিয়ে তিনি বলেন, ভারত বর্ষে ইসলাম আসার আগে ভারতে জাতীয় ঐক্য ছিল না । তিনি বলেন, আমি হিন্দু হয়ে ও বলছি হিন্দু ধর্মে নারীর মর্যাদা নেই, ইসলামই নারীকে মর্যাদা দিয়েছে । হিন্দু ধর্ম এখনও নারীকে উলংগ হয়ে পূণ্য অর্জন করতে প্রেরণা যোগায় । ইউনিফর্ম সিভিল কোড হিন্দুদের প্রভুত ক্ষতি করেছে। তিনি বলেন, শরীয়ত না কি মহিলাদের ইজ্জত দেয়নি? যারা এই কথা বলে, তাদের নিরপেক্ষ দৃষ্টিতে অন্যান্য ধর্ম ও মতবাদের সংগে ইসলামকে তুলনামূলক ভাবে পড়ার জন্য অনুরোধ করছি ।”

নানকের ভাষায়, তিনি বলেন, বেদের যুগ শেষ কুরআনের যুগ আরম্ভ হয়েছে । তাই কালকি অবতারের মাধ্যমে প্রেরিত কুরআনকে ঘৃণা না করে কুরআনকে জানা ওবুঝার মধ্যেই ভারতের জাতীয় সংহতি নির্ভর করছে । কুরআনের উপর হামলাকে তিনি জঘন্য কাজ বলে অভিহিত করেন এবং তীব্র ভাষায় এর প্রতিবাদ করেন । তিনি বলেন, ইসলামের কালিমা নতুন বিপ্লবের সৃষ্টি করেছে । যারা ইসলামের শত্রুতা করছে তারা ইসলামকে জানেনা । তিনি বলেন আমি মনে করি, শুধু ভারত নয়, পৃথিবীর মুক্তির পথ একমাত্র ইসলাম । তিনি ১৯৮০ সালে দেওবন্দ মাদ্রাসার শতবর্ষ পূর্তি অনুষ্ঠানে প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর ভাষণের উদ্ধতি দিয়ে বলেন- হযরত মুহাম্মদের (সাঃ) জীবন দর্শন বিশ্বের নিকট আজ মূল্যবান সম্পদ । সকল শ্রেণীর মানুষের উচিৎ তাঁর আদর্শ অনুসরণ করা ।তিনি বলেন, মুসলমানরা না কি তিন-চারটে বিয়ে করে দেশের জনসংখ্যা বাড়াচ্ছে? তিনি সরকারী তথ্য দিয়ে এ কথার অসারতা তুলে ধরেন এবং প্রমাণ করেন একাধিক বিবাহের সংখ্যা মুসলিম অপেক্ষা হিন্দুদের মধো বেশি । তিনি বারবার মুসলমানদের কাছে আবেদন রাখেন, সমস্ত মত পথ ত্যাগ করে ইসলামকে জানুন, নিজেরা বাচুঁন, অপরকে বাচাঁন । যতদিন এ কাজ থেকে দূরে থাকবেন ততদিন অপরকে বাচাঁনো তো দূরের কথা- নিজেরাই নির্যাতিত হবেন । ইসলামের শান্তি প্রিয়তার কথা বলতে গিয়ে বৈজ্ঞানিক পি,সি, রায়ের ভাষায় বলেন-‘ইসলাম মানুষে মানুষে বিভেদ সৃষ্টি করেনি।’ তিনি প্রাচীন ভারতে ৮৫% নিম্নবর্ণের মানুষের উপর ব্রাক্ষ্মণ্যবাদের অত্যাচার বর্ণনা করতে গিয়ে বলেন- ‘মনু বলেন, শূদ্রের ধন-সম্পদে অধিকার নাই, শূদ্রের অর্জিত সম্পদ ব্রাক্ষণ কাড়িয়া লইতে পারে।” শূদ্র ব্রাক্ষণের সাথে এক আসনে বসতে চাইলে ক’টি দেশে লোহা পুড়িয়ে দাগ দেয়া হত । বেদ পড়তে চাইলে অথবা শুনতে চাইলে জীব কেটে দেয়া হতো এবং কানে সীসা গলিয়ে ঢেলে দেয়া হতো । তিনি বলেন, “এসব নির্যাতনের হাত থেকে মুক্তির জন্য আপনাদের পূর্বপুরুষেরা ইসলাম গ্রহন করতে বাধ্য হয়েছিল । আর আপনারা হচ্ছেন কনভারটেড নির্যাতিতাদের বংশধর । বর্তমান ভারতের অবশিষ্ট ৮৫% নির্যাতিত মানুষের উদ্ধারের দায়িত্ব আপনাদের উপর বর্তেছে । আপনারা ইসলামকে জানুন এবং ইসলামী ঝান্ডাকে তুলে ধরুন, নিজেদের মধো বিভেদ ভুলে গিয়ে এক হউন, আমি ৬৯ বৎসরের যুবক। আমি আপনাদের আন্দোলনের ঝান্ডা হাতে নিয়ে আপনাদের আন্দোলনের পুরাভাগে থাকবো ।”

(সাপ্তাহিক মীযান, কলকাতা, ২৯শে মার্চ ৮৭)
( খন্দকার আবুল খায়ের রচিত মহাসত্যের ডাক গ্রন্থ হতে নেয়া )

অমুসলিমদের চোখে আমাদের নবী

আমরা পেয়ারা নবী হযরত মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর উম্মত। তিনি কিয়ামত পর্যন্ত সকলের জন্য নবী। তাঁর শুভাগমনের মাধ্যমে সুসমাপ্ত হয়েছে নবী-আগমনের ধারা। তিনি ‘খাতামুন্নাবিয়ীন’ ও ‘রহমাতুল্লিল আলামীন’। তাঁর সুমহান আদর্শে ও অতুলনীয় চরিত্র-সুষমায় জগৎবাসী মুগ্ধ ও অভিভূত হয়েছে। তিনি ছিলেন আল্লাহ তাআলার বান্দা ও রাসূল, মানবতার পূর্ণ বিকশিত রূপ। তাই গোটা মানবজাতির জন্য তিনি আদর্শ। Continue reading অমুসলিমদের চোখে আমাদের নবী

নবীজীর গোলাম যায়েদের গল্প

নাবি ( সাঃ ) এর একজন গোলাম ছিল , নাম যায়েদ ইবনে হারেসাহ ।

যায়েদের ফ্যামিলি ধনি ছিল , চোরেরা চুরি করে যায়েদকে বাজারে বিক্রি করে দিলো । ( ঐ সময় গোলামের প্রথা ছিলো ) Continue reading নবীজীর গোলাম যায়েদের গল্প

কে সেই জন যিনি আকাশ ও পৃথিবীর মালিক?

ভাই আমার লিখার অভ্যাস নাই, ফোনেটিকে লিখি অনেক হরফ লিখতে পারি না তাই বানানে ভুল হওয়া স্বাভাবিক। এক ভাইয়ের লিখাতে কমেন্ট করেছি তা বিচারের জন্য সামুর পাঠকের কাছে তুলে ধরলাম। কেউ যদি বলে নিজে নিজে একটা বিল্ডিং হয়ে গেছে তার নাই কোন মেস্তরি নাই কোন ইন্জিনিয়ার, খোদ আপনা আপনি ইট এসে গেছে, বালি সিমেন্ট সব নিজে নিজে এসে গেছে, নিজে নিজে পালাষ্টার হয়ে গেছে, রং নিজে নিজে হয়ে গেছে, দরজা- জানালা, লাইট-ফ্যান, সব নিজে নিজে হয়ে গেছে। কেউ কি বিশ্বাস করবে? করবে না। Continue reading কে সেই জন যিনি আকাশ ও পৃথিবীর মালিক?

ধোকা খাবেননা,আজ আপনার ঈমানের পরীক্ষা চলছে

ফোনেটিকে লিখি অনেক হরফ লিখতে পারি না তাই বানানে ভুল হবে,আমি একভাইয়ের পোস্টে মন্তব্য করেছি যা সামুর পাঠকের কাছে তুলে ধরলাম।ছোট কালে আমার দাদার বন্ধু হতে একটা গল্প শুনেছি,যা আপনাদের সাথে শেয়ার করিতেছি,একজন সাধাসিধে লোক তার ছাগলকে বাজারে নিয়ে যাইতেছে,চোরেরা বুদ্বি করলো আমরা ঐ লোকটি থেকে ছাগলটা ধোকা দিয়ে ছিনিয়ে নিবো,চোরেরা রাস্তায় রাস্তায় বসলো প্রথমে একজন চোর বলল দাদা কুকুরটা নিয়ে কই যাইতেছেন?সাধাসিধে লোকটি বলল এটা কুকুরনা এটা ছাগল বাজারে বিক্রি করার জন্য নিয়ে যাইতেছি,বলল আপনার কি মাথা খারাপ?কে বলেছে এটা ছাগল এটা কুকুর,লোকটার মনে একটু সন্দেহের সৃষ্টি হল। Continue reading ধোকা খাবেননা,আজ আপনার ঈমানের পরীক্ষা চলছে

ধোকা খাবেননা,আজ আপনার ঈমানের পরীক্ষা চলছে

ফোনেটিকে লিখি অনেক হরফ লিখতে পারি না তাই বানানে ভুল হবে,আমি একভাইয়ের পোস্টে মন্তব্য করেছি যা সামুর পাঠকের কাছে তুলে ধরলাম।ছোট কালে আমার দাদার বন্ধু হতে একটা গল্প শুনেছি,যা আপনাদের সাথে শেয়ার করিতেছি,একজন সাধাসিধে লোক তার ছাগলকে বাজারে নিয়ে যাইতেছে,চোরেরা বুদ্বি করলো আমরা ঐ লোকটি থেকে ছাগলটা ধোকা দিয়ে ছিনিয়ে নিবো,চোরেরা রাস্তায় রাস্তায় বসলো প্রথমে একজন চোর বলল দাদা কুকুরটা নিয়ে কই যাইতেছেন?সাধাসিধে লোকটি বলল এটা কুকুরনা এটা ছাগল বাজারে বিক্রি করার জন্য নিয়ে যাইতেছি,বলল আপনার কি মাথা খারাপ?কে বলেছে এটা ছাগল এটা কুকুর,লোকটার মনে একটু সন্দেহের সৃষ্টি হল। Continue reading ধোকা খাবেননা,আজ আপনার ঈমানের পরীক্ষা চলছে

ইসলামের সহায়তা

সর্বশেষ যে ফরয আমাদের জন্য আল্লাহ তরফ থেকে নির্ধারিত হয়েছে, তা হচ্ছে ইসলামের সহায়তা (হেমায়াতে ইসলাম) এ ফরযটি যদিও ইসলামের স্তম্ভসমূহের অর্ন্তগত নয়, তথাপি ইসলামী ফরযসমূহে মধ্যে এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কুরআন মজীদ ও হাদীস শরীফে এর উপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে। Continue reading ইসলামের সহায়তা

খ্রিস্টান ধর্মযাজকদের যৌন কেলেংকারী : পোপের গ্রহণযোগ্যতা হ্রাস

 বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ক্যাথলিক গীর্জাগুলোতে শিশুদের উপর যৌন নিপীড়নের ঘটনা একের পর এক প্রকাশ পাওয়ায় পোপ ষোড়শ বেনেডিক্ট তথা ভ্যাটিকান এখন কঠিন সমস্যার মধ্যে রয়েছে। খ্রিস্টান ধর্মযাজকদের যৌনতা এখন গোটা ক্যাথলিক ব্যবস্থার জন্য দুষ্টক্ষতে পরিণত হয়েছে। আজ আমরা এ সম্পর্কেই বিস্তারিত আলোচনা করব। Continue reading খ্রিস্টান ধর্মযাজকদের যৌন কেলেংকারী : পোপের গ্রহণযোগ্যতা হ্রাস