ধোকা খাবেননা,আজ আপনার ঈমানের পরীক্ষা চলছে

ফোনেটিকে লিখি অনেক হরফ লিখতে পারি না তাই বানানে ভুল হবে,আমি একভাইয়ের পোস্টে মন্তব্য করেছি যা সামুর পাঠকের কাছে তুলে ধরলাম।ছোট কালে আমার দাদার বন্ধু হতে একটা গল্প শুনেছি,যা আপনাদের সাথে শেয়ার করিতেছি,একজন সাধাসিধে লোক তার ছাগলকে বাজারে নিয়ে যাইতেছে,চোরেরা বুদ্বি করলো আমরা ঐ লোকটি থেকে ছাগলটা ধোকা দিয়ে ছিনিয়ে নিবো,চোরেরা রাস্তায় রাস্তায় বসলো প্রথমে একজন চোর বলল দাদা কুকুরটা নিয়ে কই যাইতেছেন?সাধাসিধে লোকটি বলল এটা কুকুরনা এটা ছাগল বাজারে বিক্রি করার জন্য নিয়ে যাইতেছি,বলল আপনার কি মাথা খারাপ?কে বলেছে এটা ছাগল এটা কুকুর,লোকটার মনে একটু সন্দেহের সৃষ্টি হল।

আর একটু যাওয়ার পর আরেকজন চোরের সাথে সাকখাৎ চোর সালাম দিয়ে বলল,দাদা কুকুরটা নিয়ে কই যাইতেছেন?সাধাসিধে লোকটি বলল এটা কুকুরনা এটা ছাগল।লোকটির সন্দেহ আর ও বেড়ে গেল।পরে আর ও একজন চোরের সাথে সাকখাত সে বলল চাচা কুকুরটা নিয়ে কই যাইতেছেন?সাধা সিধে লোকটি ছাগলটাকে কুকুর মনে করে পথে ছেড়ে দিল।তো আজ নাস্তিকরা ঐ চোরদের মত ফন্দি আটছে।মোমিনদের কে সন্দেহের সৃষ্টির জন্য চেষ্টা করে যাইতেছে যাতে করে তাদের সংগে আগুনের অধিবাসি করা যায়।তাদের এটা জানা নাই যে,ইসলাম মিটিয়ে যেতে আসেনি বরং দলে দলে লোক ইসলামের ছায়ায় আশ্রয় নিতেছে।গতকাল জার্মানের চ্যান্চেলর এন্জেলা মাইকেল জার্মানিদের ইসলামের জন্য প্রস্তুত হতে বলেছেন?পৃথিবীর৪৫পার্সেন্ট লোকজন ইসলামকে পরম যত্নের সহিত বুকে ধারন করেছে।একমাত্র ইসলামই পারে মানব জাতিকে ইহজগতে ও পরজগতে সম্মানিত করতে।আজ এটা প্রমাণিত যে,ইসলাম ছাড়া যত মত ও পথ রয়েছে মানবজাতিকে করেছে অপমানিত কমিউনিজমের কথা ধরা যাক যে কমিউনিজম রাশিয়ার মত পরাশক্তিকে ভেংগে খানখান করেছে মানবতা যেখানে শুধু হাহাকার করেছে বলপ্রয়োগ করে লাখ-লাখ বনি আদমকে হত্যা করেছে,উত্তর কোরিয়ার কথা ধরুন শাসকরা কোটিপতি জনগন কতোকষ্টে দিনাতিপাত করছে,ভিয়েতনামের কথা ধরুন যেখানে নারীদের বাধ্য করা হয় কৃষিকাজ করতে।চায়নার কথা বলে শেষ করা যাবেনা।এটাই কমিউনিজম।এগুলো তো দুনিয়াবী কুফল।পরকালে তাদের জন্য রয়েছে আগুনের শাস্তি।একজন কমিউনিস্ট আমাকে বলল আগুন কেউ কি দেখছে?আমি উত্তর দিলাম না কেউ দেখেনি।দেখলে তো আর কেউ কমিউনিস্ট বা অমুসলিম রইতো না সবাই মুসলমান হয়ে যেত।দেখলে আবার পরিকখা কিসের?যখন দেখবে তখন কি আর তাদের সুযোগ দেয়া হবে?হ্যা যা নাবী-রাসূলগন বলে গেছেন তা অবশ্যই হবে কেননা তারা কোনদিন মিথ্যা কথা বলেন না নিজের সার্থের জন্য মিথ্যা বলেননা আল্লাহর ব্যাপারে আখেরাতের ব্যাপারে মিথ্যা বলবেন?অসম্ভব।তারা তো তাদের ইবাদত করতে বলেননি বলেছেন আল্লাহর ইবাদত করতে তারা নিজেরা ও আল্লাহর ইবাদতে নিয়োজিত ছিলেন।আর সেজন্য তাদের কত কষ্ট দেয়া হয়েছে কাউকে জীবিত আগুনে,কাউকে দ্বিখন্ডিত করা হয়েছে,আর ও কত কি।যারা তাদের কথা মান্য করেছে তারা মুক্তি পেয়েছে,যারা তাদের অবাধ্য হয়েছে তাদের পরিনাম কতো ভয়াবহ হয়েছে।আমাদের সামনে রয়েছে ইতিহাস আমরা তা দেখলে বুঝতে পারবো আল্লাহ আমাদের সঠিক বুঝ দিক।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *