কুরআন হাদীসের আলোকে গীবত ও চোগলখোরী ভয়াবহতা

(১ম পর্ব)

  জিহ্বাকে আরবীতে ’লিসান’ বলা হয়। ইহা একটি মাংসপিন্ড। মূলতঃ ইহা হৃদয়ের দরজা। মানুষের অন্তরের গোপনীয়তা জিহ্বা দ্বারাই প্রকাশ পায়। ইহার ক্ষমতা প্রবল ক্ষমতাশালী নরপতি হতে ও বেশি। ইহা মানুষকে ধ্বংসের অতলে ডুবাতে পারে, আবার সাফল্যের শীর্ষেও সমাসীন করতে পারে। অধিকাংশ পাপ ও পূণ্যের কাজ জিহ্বা দ্বারাই সংঘটিত হয়। সুতরাং জিহ্বাকে সংযত রাখাই আবশ্যক। গীবত, কুটনামী, মিথ্যা ও পরনিন্দা অশ্লীল কথা,  গাল-মন্দ ইত্যাদি এই জিহ্বারই কাজ। তাই বলা হয় যুদ্ধের ময়দানে প্রাণ বিলানো অপেক্ষা জিহ্বাকে সংযত রাখা অধিক কঠিন কাজ।
  এ ব্যাপারে হযরত উকবা ইবনে আমের (রাঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন; আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! নাজাতের উপায় কি? তিনি বললেন তোমার জিহ্বাকে সংযত রাখ। তোমার ঘরকে প্রশস্ত করো (অর্থাৎ ঘরকে প্রশস্ত করো অর্থ মেহমানদারী করো) তা ছাড়া হযরত সুফিয়ান ইবনে আব্দুল্লাহ সাকাফী (রাঃ) বলেন, একদা আমি আরজ করলাম ইয়া রাসূলাল্লাহ (সাঃ) আমার জন্যে যেই জিনিসগুলি ভয়ের কারণ বলে আপনি মনে করেন তন্মধ্যে সর্বাধিক ভয়ংকর কোনটি? বর্ণনাকারী বলেন, তখন তিনি নিজের জিহ্বা ধরলেন এবং বললেন ইহা (তিরমিযী ও মেশকাত)। Continue reading কুরআন হাদীসের আলোকে গীবত ও চোগলখোরী ভয়াবহতা