দারসুল কুরআন

৮৬) এই লোকেরাই আখেরাতের বিনিময়ে দুনিয়ার জীবন কিনে নিয়েছে। কাজেই তাদের শাস্তি কমানো হবে না এবং তারা কোন সাহায্যও পাবে না।
৮৭) আমরা মূসা (আঃ)-কে কিতাব দিয়েছি। তারপর ক্রমাগতভাবে রাসূল পাঠিয়েছি। অবশেষে ঈসা ইবনে মারয়ামকে পাঠিয়েছি উজ্জ্বল নিশানী দিয়ে এবং পবিত্র রূহের মাধ্যমে তাকে সাহায্য করেছি।১ এরপর তোমরা এ কেমনতর আচরণ করে চলছো, যখনই কোন রাসূল  তোমাদের প্রবৃত্তির কামনা বিরোধী কোন জিনিস নিয়ে তোমাদের কাছে এসেছে তখনই তোমরা তার বিরুদ্ধাচরণ করেছো, কাউকে মিথ্যা বলেছো এবং কাউকে হত্যা করেছো। Continue reading দারসুল কুরআন

কুরআনের আলো

৭৭. তারা কি জানে না যে, তারা যা গোপন করে এবং যা প্রকাশ করে, তা আল্লাহ জানেন?
৭৮. আর তাদের মধ্যে আছে নিরক্ষর,১  তারা মিথ্যা আকাঙ্খা ছাড়া কিতাবের কোন জ্ঞান রাখে না এবং তারা শুধুই ধারণা করে থাকে।২
১. এখানে ইহুদীদের দ্বিতীয় ধরণের লোকদের তথা জনসাধারণের অবস্থা বর্ণিত হয়েছে। আর প্রথম ধরণের দলটি ছিল তাদের আলেম-ওলামা ও শরীয়তের ব্যাখ্যাতাদের, যার উল্লেখ ছিল ৭৫নং আয়াতে।
২. আল্লাহর কিতাবের কোনো জ্ঞানই তাদের ছিল না, তাতে দ্বীনের  কি বিধি-বিধান রয়েছে, চারিত্রিক সংশোধন ও শরীয়তের নিয়ম-নীতি তথা মানবজীবনের প্রকৃত সাফল্য ও ব্যর্থতা কিসের উপর নির্ভরশীল, তার প্রতি তাদের মোটেও মনোযোগ ছিল না। ওহীর জ্ঞানের প্রতি আগ্রহী না হয়ে তারা নিজেদের ইচ্ছা-আকাঙ্খা অনুসারে নিজেদের মনগড়া কথাগুলোকে দ্বীন মনে করতো, আর মিথ্যামিথ্যি রচিত কিস্সা-কাহিনী আর ধারণা-অনুমানের উপর ভর করে কালাতিপাত করতো।
এখানে গভীর আশঙ্কার সাথে উল্লেখ্য যে, বর্তমান বৃহত্তর মুসলিম জনগোষ্ঠির অবস্থাও অনেক ক্ষেত্রে অত্যন্ত দুঃখজনকভাবে অনুরূপ, যা আমাদের চলমান সামগ্রিক অধঃপতনের অন্যতম কারণ। এ পরিস্থিতি থেকে অনতিবিলম্বে আমাদের বেরিয়ে আসতে হবে, আমাদের অস্তিত্ব রক্ষা এবং প্রকৃত কল্যাণের স্বার্থেই। Continue reading কুরআনের আলো

কুরআনের আলো

৭৪. অতঃপর তোমাদের অন্তরসমূহ এর পরে কঠিন হয়ে গেল যেন তা পাথরের মত, কিংবা তার চেয়েও শক্ত। আর নিশ্চয় পাথরের মধ্যে কিছু আছে, যা থেকে নহর উৎসারিত হয়। আর নিশ্চয় তার মধ্যে কিছু আছে যা চূর্ণ হয়। ফলে তা থেকে পানি বের হয়। আর নিশ্চয় তার মধ্যে কিছু আছে যা আল্লাহর ভয়ে ধ্বসে পড়ে।১! আর আল্লাহ তোমরা যা কর, সে সম্পর্কে গাফেল নন। Continue reading কুরআনের আলো

কুরআনের আলো

৬৭. আর স্মরণ কর, যখন মূসা তার কওমকে বলল, ‘নিশ্চয় আল্লাহ তোমাদেরকে নির্দেশ দিচ্ছেন যে, তোমরা একটি গাভী যবেহ করবে’।১ তারা বলল,  ‘তুমি কি আমাদের সাথে উপহাস করছ?’ সে বলল, ‘আমি মূর্খদের অন্তর্ভুক্ত হওয়া থেকে আল্লাহর আশ্রয় চাচ্ছি।’ ২
ব্যাখ্যা: ১ এই আয়াতের ‘বাকারাহ’ (গাভী) শব্দ থেকেই এই সূরার নামকরণ করা হয়েছে।
২. এখানে উল্লেখিত ঘটনাটি সংক্ষেপে এই যে, বনী ইসরাঈলের মধ্যে একটি হত্যাকান্ড ঘটেছিল; কিন্তু হত্যাকারীকে সনাক্ত করা যাচ্ছিল না। তাই তারা মূসা আলাইহিস সালামের স্মরণাপন্ন হয়। আল্লাহ তাআলা তাদেরকে দিয়ে একটি গাভী যবেহ-এর মাধ্যমে নিহত লোকটিকে জীবিত করে তার হত্যাকারীর পরিচয় উদ্ঘাটন করান। এটি ছিল একটি অলৌকিক ঘটনা। Continue reading কুরআনের আলো

আল কুরআনই একমাত্র যুক্তিগ্রাহ্য ও বিজ্ঞানসম্মত ধর্মগ্রন্থ


এক দিকে যেমন ইসলম ছাড়া আর কোনো ধর্মই একখানা পরিপূর্ণ ধর্মগ্রন্থ দিতে পারে না। তেমন কুরআনে এমন সব বৈজ্ঞানিক তথ্য রয়েছে যা নাযিল হয়েছে ১৪ শত বৎসর পূর্বে আর তার সত্যতা প্রমাণ হচ্ছে আজ এই একবিংশ শতাব্দীতে। এই কুরআনের এমন কতগুলি বৈশিষ্ট্য রয়েছে যা আর কোনো ধর্মগ্রন্থে নেই। যেমনঃ
১। কুরআনের ভাব-ভাষা এমনভাবে সুবিন্যস্ত যার অনুরূপ একটি সূরা আজ পর্যন্ত কেউ তৈরী করতে পারে নাই।
২। যার উপস্থাপিত বৈজ্ঞানিক তথ্যগুলি বা কোনো কথাকেও আজ পর্যন্ত কেউ অবৈজ্ঞানিক বলে প্রমাণ করতে পারেনি।
৩। পৃথিবীর প্রত্যেক দেশে যত কুরআন আছে তার সবগুলিকে একত্রিত করলেও তার কোনো একটির মধ্যেও সামান্যতম একটু তারতম্য কেউ পাবে না।
৪। পৃথিবীর সব ধর্মের ধর্মগ্রন্থ যদি পুড়িয়ে দেয়া হয় তবে নতুন করে হাফেজদের মাধ্যমে কুরআন পুনরুদ্ধার করা সম্ভব। এছাড়া অন্য কোনো ধর্মগ্রন্থই পুনরুদ্ধার সম্ভব নয়। Continue reading আল কুরআনই একমাত্র যুক্তিগ্রাহ্য ও বিজ্ঞানসম্মত ধর্মগ্রন্থ