প্রবাস সুখের নয়

সীমাহীন পরিশ্রম প্রবাসে, যাহা না দেখে কল্পনা করা দায়,
দেশে আছে যারা তারা মনে করে, প্রবাসীরা খুব সুখে দিন কাটায়।
এখানে কাজে ফাকি বাজি চলেনা ডিউটির সময় কাঁটায় কাঁটায়
এক মিনিট লেইট হলে আপিল চলেনা, সোজা ফাইন হয়ে যায়।
জুতা মুছা থেকে রান্নার কাজ প্লেট হাড়ি পাতিল ধোয়া মাজা,
কাপড় ধোলাইসহ আয়রন করা জেল খানার অধিক সাজা।
খাইলে খাও না খেলে না খাও, কে আছে তোমাকে সাধবে ?
অসুস্থ হলে বাসায় শুয়ে গড়াও কে আছে তোমার তরে রাঁধবে।
বাবারে মা রে বাঁচব নারে শরীরে (অসহ্য রকমারী) বিষ ব্যথা,
রুমের সাথীরা সকলে ডিউটিতে কে শোনে দুঃখের করুন কথা।
তারপর বাড়ীর অভাব অভিযোগ মার অসুখ হাসপাতালে,
ছেলেকে বিদেশে দিয়ে কত যে কষ্ট করে বাবা মা বৃদ্ধ কালে।
বোনের বিয়ে লাখ টাকার দাবী ভাইকে নিয়েছে ধরে থানায়,
বিশ হাজার দিলে থানা থেকে ছাড়ে নইলে যায় জেল খানায়।
ভাগিনীর খাট, ভাতিজির নেকলেছ, জামাইর পোশাক ঘড়ি,
পাঠাইতে হবেই যে ভাবেই হউক প্রয়োজনে হাওলাত করি।
ভাগিনার তাগিদ আসে বারবার একটা ভিসা অন্তত দেন,
ডিগ্রী পরীক্ষা শেষ, দেশে চাকরী নেই, আমারে বিদেশে নেন।
এইতো প্রবাসীর জীবন কেহই বুঝেনা দুঃখ কিভাবে দিন যায়,
যৌবন জোয়ারে ভাটা পড়ে গেল বলেনা সে লজ্জায়।
নিজের সম্বল কিছুই থাকেনা, ড্রাফটের ফটোকফি ছাড়া,
অন্যে বুঝবে না কি যে এক যন্ত্রনা বুঝবে ভুক্তভোগী যারা।
মস্তিস্কের ভারসাম্য রক্ষা খুবই কঠিন সাধে কি পাগল হয়,
যোগ বিয়োগ করে ফল যাহা পেয়েছি, প্রবাসটা সুখের নয়।

কবিতার মাধ্যমে আরবী শিক্ষা

মধ্যপ্রাচ্যের প্রবাসীদের জন্য উৎসর্গ 

তাল তাল ছুরআ মানে তাড়াতাড়ি আস
উছকুত গাদ ইনতা চুপ করে বস।

ছাওয়া ছাওয়া আক্কেল অর্থ এক সাথে খাও,
ছুরআ ছুরআ রুহ বললে জলদি করে যাও।

মুখ মাকু বলার অর্থ বুদ্ধি শুদ্ধি নাই,
ইনতা কেয়ফাক তোমার ইচ্ছা আবগি আমি চাই।

মাকু কালাম কথা বন্ধ সামনে বাড়তে বাধা,
হেমার ইনতা বুঝতে হবে তুমি একটা গাধা।

মাফি মুশকিল বিপদ খতম রো বেদ ঘরে যা,
শুব্বাক বললে জানালা হয় বাব বললে দরজা।

জুলিয়া কার্পেটের নাম নেছা অর্থ বেটি,
অছাক ইনতা খাচ্ছর বলছে আরদ হলো মাটি।

কাম ইস্তিরি? কতর কেনা আরেক ইস্তারিহ বসা,
আরফ ইনতা? জানো তুমি না জানলে কি দশা।

হাযা মিনু? এটা কেরে? ওখতি বললে বোন,
আখুই বলে ভাইকে তারা ইছমা অর্থ শোন।

মাইয়েবি আইশ ভাত খাইব না এবি বারিদ মাই,
ঠান্ডা পানি পান করিবে আনেন আপনি যাই।

খাল্লি বাল্লি পাত্তা দেয়ানা সে ই একটা কিছু,
সামনে আসলে চুমা দিয়া হাটে পিছু পিছু।

গিদ্দাম বললে সামনে আরো অরা বললে পিছে,
এরফা সোয়াই আরো উপর তাহাত হলো নিচে।

ছাদিক বললে বন্ধু বলছে আপনি তাহার সাথী,
যেটা চাইবেন সেহটা পাইবেন বলবে আনায় আতি।

শোনেক ইনতা কেমান আছেন? মানটা এখন ভাল,
লেশ মা-ইজি? আসেন নাই কেন মুখটা এবার কালো।

কাম মাস ইনতা বেতন কত ? আরবা আসরিন হারাম,
শুনো হাদা আফসোস করছে লাগে একটু আরাম।

সালাম দিবেন হালা বললে মুখ করবেন না কালো,
শুনতে যদি খারাপও হয় কথা কিন্ত ভাল।

আহালান ছাহালান অর্থ শুভেচ্ছা স্বাগতম,
কাজের চাপে হালা বলছে সময় একটু কম।

বাবা বললে কাজ আদায় হয় অবশ্য লজ্জা লাগে
কুয়েত সৌদি যারা আসেন এইটা শিখবেন আগে।

বাবা বইলা কাইন্দা দিবেন যদি মনটা গলে,
আশে পাশে কত দেখি এভাবেই চলে।

প্রতি বছর দেশে যাইবেন গলায় বেধে টাই,
ভিসা কয়টা লইতে পারলে দুঃখ কষ্ট নাই।

বাবা বলতে লজ্জা পেলে সুযোগ মিলা দায়,
দুই চারজনের কপাল খোলে কাজের উছিলায়।

আরো খুশি হবেন বাবায় ধইরা চুমা দেন,
কসম করেব (অ- আল্লা) নফর ইনতা জেন।

এ যুগের বিপ্লবী হবে তোমরা

ইউসুফ আলী
ওহে কওমের নেতা! ধর হাল শক্ত হাতে,
গাড়াও তোমার খুটি আবু বকরের খুটির শক্তিতে।
ডরিওনা কভু যদিও মরণ হয় তবু,
ধৈর্য ধরে কাজ কর হকের তরে সাহায্য করবে প্রভূ।
মুনাফিক করছে ফন্দি অজ্ঞাত নদোয়ায়,
চোখ কান খোলা রেখে চলতে হবে তোমায়।
ওহে কালিমার মুহাফিজ!
উড়াও কালিমার তায়্যিবার ঝাণ্ডা।
তুলে ধ্বনি আল্লাহু আকবার,
বাজাও তোমার নব রণ ঘণ্টা।
শুন পেতে কান, বেলাল হাকিছে আযান,
আস্সালাতু খাইরুম মিনান্ নাওম,
ঝেড়ে ফেলে নিঁদ জেগে ওঠ মুসলিম উম্মাহ,
ইন্তেযার করছে নয়া জামানার ইমাম।
ওহে সত্যের সৈনিক!
হতে হবে শাণদার তরবারি সমো।
বাতিলের তরে বিষাক্ত তীর,
ধ্বংসিতে হবে সব জুলুম নিপিড়ণ,
আর ভাঙ্গিতে হবে গোলামীর জিঞ্জির।
জাহিলী যুগের আধাঁরে ফের আসিয়াছে ধরা,
জন্মিবে না আর কোন আবু বকর-
ওমর, উসমান, ও আলী (রা.)
ওহে নওজোয়ান হও আগুয়ান,
এ যুগের বিপ্লবী হবে তোমরাই।

তুমিও একদিন বৃদ্ধ হবে

এত দিন ছিলে বাপের আদরে, মায়ের স্নেহের খনি,
এ ঘরে ও ঘরে ঘুরে বেড়াতো, আমাদের সোনামণি।
যখন যা চাইতো মনে ‘মা’ জান দিতো এনে,
আদরে সোহাগে রাখতো সদা বুকের মধ্যে টেনে।

হরেক রকম বায়না ধরে বলতো মায়ের কাছে,
এনে দিতো সবকিছুই যেখানে যা আছে।
জানতে তুমি বাবার পকেটে, আছে কি বা নাই,
এখনই আমায় দিতে হবে, এখনই তা চাই।

বাবার পকেট যদিও খালি মায়ের মুষ্টি চাল,
বিক্রি করে জামা জুতো এনে দিয়েছে কাল।
এমনিভাবে জনক জননী অতীত ও বর্তমান,
সন্তানের তরে কাঁদে তাদের, সারাটি জীবন প্রাণ।

মল-মূত্র গায়ে লাগলে মুছে দিতো ত্বরা করে,
আগুন পানিতে না যায় যেন রাখতো চোখের পরে।
বাপ মা না খেয়ে, আমাদের খাওয়ায়ে রাখছেন সদা খুশি,
রোগে শোকে সেবা করতেন, শিহরে মোদের বসি।

ঘুম না এলে ঘুম পড়াতেন, মাথায় বুলিয়ে হাত,
এমনিভাবে কেটেছে মায়ের অনিদ্রায় কত রাত।
সেই পিতা মাতার কথা ভুলে গিয়েছি হয়েছি যখন বড়ো,
কথায় কথায় ধমক দিয়ে বলি, তোমরা কী বুঝো? সরো।

তোমাদের চেয়ে কম বুঝি না, জ্ঞান কী মোদের কম?
তোমরা এখন বুড়োধুড়ো মানুষ, বুঝোইনা একদম।
বিয়ে-শাদী করে এখন আমরা দূরে গিয়েছি সরে,
আমরা খাই কোর্মা পোলাও, ‘বাপ-মা’ না খেয়ে মরে।

ছেলের পরনে দামী দামী শার্ট মায়ের ছেড়া শাড়ী,
বাবার পরনে শত তালি দেওয়া জামা লয়না খবর তারি।
বাপ মা খাওয়ালে কম পড়ে যাবে! হতে পারবো না বড়লোক,
বাপ মা থেকে তাই, আলাদা থাকি, করছি যোগ-বিয়োগ।

হায়রে মানুষ কি আশা-ভরসা নিয়ে আছে যে, দুনিয়ায়,
চোখ বুঝিলে কে কোথায় যাবে, খবর কে তার পায়?
কোথায় থাকবে ধন সম্পদ আর, কোথায় বাড়ি-ঘর,
স্বার্থ লোভে সব ভুলে যায়, আপন করে পর।

ধন সম্পদে কাজ হবে না, বাবা মায়ের কষ্ট থাকলে মনে,
আল্লাহ ও রাসূল হবে বিমুখ, দোযখ সম্মুখ পানে।
স্রষ্টার পরে পিতা-মাতা সকল ধর্মে কয়,
প্রভূর বিধান মেনে চললে জান্নাত পাবে নিশ্চয়।

তুমিও একদিন বৃদ্ধ হবে, ভাঙবে সেদিন ভুল,
বাবা মায়ের শোকে সেদিন ছিড়বে মাথার চুল।
লাভ হবে না কিছুই তাতে বৃথা চোখের জল,
পিতা মাতার সেবা করো, পাবে তাহার ফল।

এখনো সময় আছে, পিতা-মাতা যাদের আছে দুনিয়াতে,
তাদের মনে আঘাত দিওনা, খুশি হবে প্রভূ তাতে।

ভালবাসি আল-হুদাকে

ভালবাসি ভোরের আযান
পাখির কুহুতান,
ভালবাসি জ্যোছনা রাতের
ফুলের মিষ্টি ঘ্রাণ।
ভালবাসি মায়ের মুখের
কুরআন তেলাওয়াত,
ভালবেসে আল-হুদাকে
পড়ি সারা রাত।
প্রতি মাসে আল-হুদাকে
যখন আমি পড়ি
আল-হুদাকে পড়ে আমার
হৃদয়টা যায় ভরি।
বলবো আমি সবাই মিলে
আল-হুদাকে পড়ি,
ইসলামেরই রশিটাকে
শক্ত হাতে ধরি।
অজানা সব বিষয়গুলো
জানতে ও ভাই ওরে!
প্রশ্ন কর আল-হুদাকে
সমাধানের তরে।
অজ্ঞতায় যদি থাক তুমি
হাদীস ও কুরআন,
আশা করি পাবে তুমি
সঠিক সমাধান।
দো-জাহানের মালিক আল্লাহ
রহীম ও রহমান
আল-হুদাকে দাও তুমি
মর্যদা ও সম্মান।

ইয়াসির আরাফাত

মার্চ 2011

এম কামরুল হাসান


ইয়াসির আরাফাত!
তুমি ইয়াহুদীবাদের বজ্রনিনাদ।
তুমি চলেগেছ আজি হে বিপ্লবী মহাবীর!
ইয়াহুদীবাদের কাছে নত করোনি-কো কভু শির।
তোমার চেতনায় নড়ছে আজও ফিলিস্তীনি মুজাহিদ
তোমার বিরহে ভেঙ্গে গেছে আজ সবার গভীর নিঁদ।
যদিও তুমি নেই, রয়ে গেছে তবো তোমার আন্দোলন
এরি মাঝে তোমায় খুঁজে ফিরে ফিলিস্তীনি জনগণ।
শোকে মুহ্যমান শক্তিতে বলিয়ান ত্যাজি সকল বিঘœ
অনুসরণে মগ্ন আজও পিএলও তোমার পদচিহ্ন।
লড়ছে তোমার বীর সেনানীরা স্বাধীনতার তরে
তোমার আদর্শে মুগ্ধ তারা শান্তি পায় মরে।
তুমি চলে গেলে তবো মিটলো না তোমার সাধ
তবুও বলবে জনতা ফিলিস্তীন জিন্দাবাদ।

এসো করি সাধনা

মার্চ  ২০১১
মুহাম্মদ ওমর ফারুক

মহান প্রভূর বাণী
আমরা যদি মানি,
আসবে সবার ঘরে ঘরে
মহা সুখের ধ্বনী।
সুখ শান্তির পরশে
দুনিয়া থেকে আরশে,
আরশের ছায়া তলে
দয়াময়ের মায়া জালে।
থাকবো মোরা আজীবন
যেখানে নাই মরণ।
পূর্ণ হবে কামনা
মনের যত বাসনা।
এসো করি সাধনা,
থাকবে না আর ভাবনা।

গোলাপ

মার্চ  2011

মুহাম্মাদ আব্দুল মুবিন
আমি গোলাপকে প্রশ্ন করলাম
তোমার গায়ে এত কাঁটা কেন?
উত্তরে বললো ব্যাথা দিতে তাকে
যে ছিড়বে আমাকে।
বললাম তুমি এত সুন্দর কেন?
বললো- শোভা দিতে তাকে,
যে ভালবাসবে আমাকে।
বললাম তোমার এত সুগন্ধ কেন?
বললো-বিলিয়ে দিতে আনন্দ উল্যাস
সবার মাঝে।

দিবা নিশি প্রার্থনা

মার্চ ২০১১
মুহাম্মাদ ইউসুফ আলী
হে আল্লাহ! দয়াময়
দাও মোরে শক্তি,
দূর কর সব ভয় ও অজ্ঞানতা
বাড়াও প্রেম তোমার প্রতি।
ঘুচাও মোর মনের শঙ্কা
বাঁজাও কানে তোমার ডঙ্কা,
মোরে রাখ ধরে সরল পথে
কখনো আমায় দিও না যেতে
তোমার অভিশাপ যাদের উপর
কাফের মুশরিক আর নাস্তিকের কানা রথে।
আমি তোমার বান্দা, তোমার রশিতে বান্ধা,
যেন করি তোমার ইবাদত,
যদি হয় মরণ বানাইও কলম সৈনিক
মোরে দিও প্রভূ শাহাদাত।
আঁধার কবরে আলো দিও মোরে
ছওয়াল জওয়াব করিও সহজ,
রাসূলকে যেন চিনতে পারি,
স্বপ্নে দেখাইও তাঁরে আজ।
হাশরে দিও স্থান আরশের নিচে
পিলাইও কাওসারের পানি
বিনা হিসেবে বেহেশ্ত দিও
পুলসিরাত করিও পার বিজলির বেগে টানি।
তোমার নেয়ামত আমায় করবে দান
সেই আশায় সর্বদা ব্যস্ত থাকি
সর্বদা তুমি থাকিও রাজি ও খুশি
এই মোর মনবাসনা এই করি দোয়া দিবানিশি।

আমি সাহসী….আমি বীর

মার্চ 2011
আকমল হুসেন (মিন্টু)
আমি সাহসী….আমি বীর
দ্বীনের পথে আমার লক্ষ্য স্থির
ইয়াহুদীর তরে আমি বিষাক্ত তীর
আমি সাহসী….আমি বীরর ॥
আমার শুরু  বিসমিল্লাহ-তে যিকির আল্ল¬াহু আকবার
বুকে সুন্নাতে মুহাম্মাদ
তার তরে মরতে পারি বারংবার
আল্লাহ বিনা কারো তরে করি না নত শির
আমি সাহসী…..আমি বীর ॥
আমি মুহাম্মদী কাফেলার সৈনিক
শাহাদাত আমার লক্ষ্য
অকুতভয় আমি
এ মহাকাল দ্বীনের সাক্ষ্য
দূরত্ব দ্রুত কমে আসছে,অচিরে মিলবে তীর।
আমি সাহসী…….আমি বীর ॥
আজ যারা লাঞ্ছিত অবহেলিত
সমাজের আনাচে কানাচে পতিত
চোখের কোণে জমাট বারি
লইবে তারা তরবারি
একদিন তারা বুঝবে দ্বীন
পিছনে ফেলে স্বপ্ন রঙ্গিন
মিটাতে গিয়ে আল্লাহর ঋণ
লোহিত সাগরে ঝাপ দিবে, অকাতরে দ্বিধাহীন
আমিন……………আমিন।
আমি মহাকালের চির উন্নত শির
আমি সাহসী…….আমি বীর ॥
চির কৃতজ্ঞ আমি তাঁর তরে
যার ইশারায় তাঁর সৃষ্টি নড়েচড়ে
তাঁর গোলাম আমি, দু‘হাত জুড়ে
সিজদায় পড়ে কাঁদি, নয়ন অঝরে ঝরে
ক্ষমা পেলাম কী পেলাম না, সদা অস্থির
আমি কালেমার উন্নত শির
আমি সাহসী……….আমি বীর ॥
সুবহান আল্ল¬াহি ওয়াবিহামদিহী, সুবহান আল্ল¬াহিল আযীম
সদা অন্তরে যিকির
আমি সাহসী…….আমি বীর ॥