কুরবানীর ইতিকথাঃ

কুরবানী শব্দের উতপত্তি হলো কুরবান শব্দ থেকে। কুরবান শব্দের অর্থ; নৈকট্য, সান্নিধ্য, উৎসর্গ। সুতরাং কুরবানী অর্থ উৎসর্গ করার মাধ্যমে আল্লাহ তা’আলার নৈকট্য লাভ করা।
মানব ইতিহাসে সর্বপ্রথম কুরবানী হল হযরত আদম (আঃ) -এর দুই পুত্র হাবিল ও কাবিলের কুরবানী। কাহিনীটি সূরা মায়েদার ২৭ নম্বর আয়াতে বর্ণিত হয়েছে।

Continue reading কুরবানীর ইতিকথাঃ

আমাদের উপর কুরবানীর নির্দেশঃ

 

 রোযা এবং ঈদ পর্বের দু’মাস পর আরও একটি পর্ব উৎযাপনের জন্যে বিশ্বের মুসলিম সম্প্রদায় পারিবারিক এবং সামাজিকভাবে একত্রিত হবে, কুরাবানীর ঈদ! বিশেষ করে বাংলাদেশে এ উৎসব ঘরে ঘরে নিয়ে আসবে উৎসবের আমেজ। হাজার বছরের ঐতিহ্য এবং ধর্মীয় অনুশাসণের ধারা রক্ষা করতে গিয়ে আবারও আমরা জবাই করব লাখ লাখ পশু। আল্লাহর আনুগত্য প্রমাণের জন্যে হাজার বছর আগে ইবরাহীম (আঃ) নিজ সন্তানকে কুরবানী করতে প্রস্তুত ছিলেন, আল্লাহ সন্তুষ্ট হয়ে সন্তানের বদলে পশু কুরাবানীর আদেশ দিলে সূত্রপাত হয় কুরাবানীর ঐতিহ্য। আজকে একবিংশ শতাব্দিতে কুরাবানী কোন আনুগত্যের মাইলষ্টোন হয়ে কাজ করছে তার পক্ষে পণ্ডিতদের নিশ্চয় হাজারটা বক্তব্য থাকবে। আমারা কি বুকে হাত দিয়ে বলতে পারব সমসাময়িক কুরাবানী ধর্মীয় মূল্যবোধকে সমুন্নত রাখতে সক্ষম হচ্ছে? সমাজের একাংশে কুরাবানীকে ব্যবহার করা হচ্ছে নিজদের অবৈধ বিত্ত বৈভব্যের নগ্ন প্রদশর্নী হিসাবে, আরেক অংশের জন্যে তা হচ্ছে নিজদের সামর্থের সীমা অতিক্রম করে সামাজিকতা রক্ষা করা। কুরাবানী এলেই বেড়ে যাচ্ছে ডিপ-ফ্রীজের বিক্রী, বাড়ছে গোশ্ত সংরক্ষণের বিভিন্ন কৌশল উদ্ভাবন। প্রদশর্নীর দৌড়ে জয়ী সমাজপতিদের অনেক্‌কেই দেখা যায় দিন শেষে কুরাবানীর আস্ত গরুটাই সাইজ করে ডীপ ফ্রীজে ঢুকিয়ে রাখতে। উচ্ছিষ্ট কিছু বিতরনের ঐতিহ্য এখনো যে মিলিয়ে যায়নি তা বলা যাবে না, কিন্তু সামগ্রিক হিসাবে এ সংখ্যা দিন দিন কমে আসছে। কুরাবানীর প্রথম প্রহরে কেবল মাত্র জবাইকারীর মুখে শোনা যায় ধর্মের যুগসূত্রতা, বাকি সময়ের যে কোন ধাপেই ধর্মীয় মূল্যবোধের রেশ থাকে অনুপুস্থিত। Continue reading আমাদের উপর কুরবানীর নির্দেশঃ