আপনার জিজ্ঞাসার জবাব

প্রশ্ন: মহিলাদের জন্য সেলুনে গিয়ে বগলের পশম ও গুপ্তাঙ্গের পশম পরিষ্কার করানো জায়েয আছে কি? আবু আব্দুল্লাহ, ফাহাহীল, কুয়েত।
উত্তর: মহিলাদের জন্য সেলুনে কিংবা নিজ বাড়িতে পরপুরুষ কিংবা মহিলাদের মাধ্যমে বগলের পশম ও গুপ্তাঙ্গের পশম পরিষ্কার করানো জায়েয নাই। তবে স্বামীকে দেখানোর জন্য শুধুমাত্র মেকাপ তথা রূপচর্চা করতে পারবে।
বর্তমানে সেলুনের নামে প্রতিষ্ঠান খোলে, সেখানে অনৈতিক কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে। এমন সেলুনে চাকুরি করাও ইসলামের দৃষ্টিতে জায়েয নেই। আবু সাঈদ খুদরি (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত, রাসূল (সাঃ) বলেছেন: পুরুষের জন্য অন্য পুরুষের গুপ্তাঙ্গ এবং নারীর জন্য অন্য নারীর গুপ্তাঙ্গ দেখা জায়েয নেই। এমনকি প্রাপ্ত বয়স্ক পুরুষ ও নারী এক কাপড়ে শয়ন করাও জায়েয নেই। (মুসলিম ১/২৬৬, আবু দাউদ ৪০১৮, তিরমিযী ২৭৯৩) Continue reading আপনার জিজ্ঞাসার জবাব

হিলফুল ফুযুল: মুহাম্মাদ (সাঃ)-এর ভূমিকা এবং আমাদের শিক্ষণীয়

শেষ পর্ব
কার্যকারিতা:
এ অঙ্গীকার নামার ফলে আরববাসীগণের মধ্যে চিন্তা চেতনায় ব্যাপক পরিবর্তন সূচিত হতে থাকে এবং প্রথমাবস্থায় খুব ভালভাবে কাজকর্ম চলতে থাকে। কিন্তু রাসূলুল্লাহ (সাঃ) এর নবুয়ত লাভের পর কুরাইশদের মধ্যে কিছুটা বিরূপভাব সৃষ্টি হওয়ার ফলে শেষ পর্যন্ত এর কার্যকারিতা স্তিমিত হয়ে পড়ে। (আর রাহীকুল মাখতুম) Continue reading হিলফুল ফুযুল: মুহাম্মাদ (সাঃ)-এর ভূমিকা এবং আমাদের শিক্ষণীয়

মানুষ কী মানুষের শত্রু?

৫ম পর্ব
তদ্রূপ পিলখানা বি.ডি.আর সদর দপ্তরে যে সব নরখাদক আল্লাহর কাছে কৃত শপথ ভঙ্গ করে দেশ ও জাতির সাথে বিশ্বাসঘাতকতা ও বেঈমানী করে ভাই হয়ে নিজের ভাইদের শরীরের রক্ত চুষে এবং কাঁচা গোশতগুলো চিবিয়ে খেয়েছে। তারাও ইবলীস এবং তার অনুসারীদের দ্বারা বিভ্রান্ত হয়েই সেই অপকর্মগুলো করেছে। নিজ দেশীয় হোক বা ভিন্নদেশের বিদেশী শয়তানের অনুচরই হোক, তাদেরকে শয়তানের দলবল যে কোন লোভ লালসার প্রতি আসক্ত করেই তাদেরকে দিয়ে সেই স্মরণকালের দুর্ঘটনাটি ঘটিয়েছে। দেশ ও জাতির স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব তথা অখণ্ডতা রক্ষার জন্যে যারা একদিন প্রকাশ্যে জনসম্মুখে আল্লাহর নামে পবিত্র ধর্মগ্রন্থ স্পর্শ করে সুদৃঢ় শপথ নিয়েছিল, শেষ পর্যন্ত তারাই সামান্য মূল্যে তাদের পবিত্র শপথকে শয়তানের দোসরদের কাছে বিক্রি করে সেই ধ্বংসাত্মক অপকর্মটি করেছে। অথচ শপথ বিক্রি সম্পর্কে দয়াময় প্রতিপালকের কঠোর নির্দেশ : “তোমরা আল্লাহর সঙ্গে কৃত অঙ্গীকার তুচ্ছ মূল্যে বিক্রি করো না; আল্লাহর কাছে যা আছে শুধু তাই তোমাদের জন্যে উত্তম, যদি তোমরা জানতে। তোমাদের কাছে যা আছে, তা নিঃশেষ হবে এবং আল্লাহর কাছে যা আছে তা স্থায়ী; যারা (তাদের প্রয়োজন পুরণের জন্য আল্লাহর উপর ভরসা করে) ধৈর্যধারণ করে, আমি নিশ্চয়ই তাদেরকে তারা যা করে তা অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ পুরষ্কার দান করব।” (সূরা আন্নাহল: ৯৫-৯৬) Continue reading মানুষ কী মানুষের শত্রু?

নবীগণের পর শ্রেষ্ঠ মানুষদের ইতিহাস (৫)

আলী ইবনে আবি তালিব (রাঃ)
(শেষ পর্ব)
আলী (রা.) তাঁর পরে অন্য কাউকে স্থলাভিষিক্ত করে যান নি। লোকেরা যখন তাঁর পুত্র হাসানকে (রা.) খলিফা নির্বাচিত করা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করেছিল। তিনি বলেছিলেন, এ ব্যাপারে তোমাদের নির্দেশ অথবা নিষেধ কোনটাই করছি না। অন্য এক ব্যক্তি যখন জিজ্ঞেস করেছিল, আপনি আপনার প্রতিনিধি নির্বাচন করে যাচ্ছেন না কেন? বললেন: আমি মুসলিম উম্মাহকে এমনভাবে ছেড়ে যেতে চাই যেমন গিয়েছিলেন রাসুলুল্লাহ (সা)। Continue reading নবীগণের পর শ্রেষ্ঠ মানুষদের ইতিহাস (৫)

হাদীসে রাসূল (সা.)

১১.   কুরআন ও হাদীসের মধ্যে পার্থক্য
হাদীস যদিও রাসূল সা. অহির মাধ্যমে লাভ করেছেন, তবুও হাদীস, কুরআন বা কুরআনের অহির সমতুল্য নয়। কুরআন এবং হাদীসের মধ্যে নিম্নোক্ত পার্থক্যসমূহ বিদ্যমান :
০১.  অক্ষরে অক্ষরে কুরআনের ভাষা এবং বক্তব্য দুটোই আল্লাহর পক্ষ থেকে নাযিল হয়েছে। পক্ষান্তরে হাদীসের বক্তব্য বা বিষয়বস্তুই কেবল আল্লাহর পক্ষ থেকে লাভ করেছেন, আর ভাষা দিয়েছেন রসূল সা. নিজে। Continue reading হাদীসে রাসূল (সা.)

দারসে কুরআন

৮৩) স্মরণ করো যখন ইসরাঈল সন্তানদের থেকে আমরা এই মর্মে পাকাপোক্ত অঙ্গীকার নিয়েছিলাম যে, আল্লাহ ছাড়া আর কারোর ইবাদাত করবে না, মা-বাপ, আত্মীয়-পরিজন, ইয়াতিম ও মিসকিনদের সাথে ভালো ব্যবহার করবে, লোকদেরকে ভালো কথা বলবে, নামায কায়েম করবে ও যাকাত দেবে। কিন্তু সামান্য কয়েকজন ছাড়া তোমরা সবাই অঙ্গীকার ভঙ্গ করেছিলে এবং এখনো ভেঙে চলছো। Continue reading দারসে কুরআন

এপ্রিলের মিথ্যাচার

মিথ্যা একটি চারিত্রিক ব্যাধি। যার মধ্যে মনুষ্য রুচিবোধ কিংবা সুস্থ প্রকৃতি বিদ্যমান সে কোনক্রমেই এর প্রতি সমর্থন জ্ঞাপন করতে পারে না। আর না করাই হচ্ছে স্বাভাবিক মনুষ্য ধর্ম। সকল ধর্মেই এর প্রতি নিন্দা জ্ঞাপন করা হয়েছে। Continue reading এপ্রিলের মিথ্যাচার