বাংলাদেশ : সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির উজ্জ্বল নিদর্শন

“সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি” বলতে আমরা কি বুঝি? এ প্রশ্নের সহজ উত্তর হতে পারে বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মধ্যে পারস্পরিক সম্ভাব বজায় রেখে বসবাস করা। এখন এই সম্ভাবের বি¯তৃতি জীবনের সকল দিক জুড়ে এর মধ্যে একাধারে যেমন থাকছে পারস্পারিক মুখ দেখাদেখি তেমনি থাকছে রাষ্ট্রীয় কার্যক্রমে অংশ গ্রহণও। পৃথিবীর দেশে দেশে শোনা যায় এই সম্প্রীতির কথা। কোথাও এ সম্প্রীতি পূর্ণ মাত্রায় বহাল আবার কোথাও আংশিক, কোথাও লংঘিত হয়ে অত্যাচার নিপীড়ন হচ্ছে সম্প্রীতির সুরক্ষা এবং মধ্যম পন্থা থেকে নিয়ে লংঘনের নানা চিত্র আমরা আমাদের পার্শ্ববর্তী প্রতিবেশী দেশগুলোতে অহরহ দেখতে পাই। এর জন্য খুব বেশী দূরে তাকাতে হয় না। তিন দিকে ঘেরা এমন একটি দেশ বাংলাদেশকে ঘিরে আছে যে দেশে প্রতি বছর সাম্প্রদায়িক দাঙ্গায় বহু মানুষ প্রাণ হারায়। বহু নৃশংস ঘটনার সাক্ষী বিগত কয়েক দশকের ভারত। যেখানে জীবন্ত মানুষকে পুড়িয় হত্যা করা হয় শুধুমাত্র তার ধর্ম বিশ্বাসের কারণে। পৃথিবীর পথে আগমনকারী গর্ভের সন্তানও যেখানে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার হাত থেকে বাঁচতে পারেনি। তেমন একটি দেশকে ঘিরে আছে আমাদের বাংলাদেশ। পৃথিবীর বুকে সমকালীন বহু বছরের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির সুরক্ষায় যার সুনাম , সে আমার বাংলাদেশ। স্বদেশী আর বিদেশী শত্র“দের জন্য যা এক মহা যন্ত্রণা! কেন বাংলাদেশ এই প্রশ্নে প্রশান্ত! এ এক আশ্চর্য বিষয় তাদের নিকট। 

    
  বিশাল এই পৃথিবীতে মানুষগুলো বিভিন্ন জাতি, গোষ্ঠী, ধর্ম, সম্প্রদায়ে বিভক্ত। এই বিভাজন দেশ ভেদে কম এবং বেশি। কিন্তু এমন কোন দেশ খুঁজে বের করা কষ্টকর হবে, যেখানে একাধিক জাতি, গোষ্ঠী, ধর্ম, সম্প্রদায়ের অস্তিত্ব নেই। তাই বিশ্ব এই সংক্রান্ত জটিলতায় ভারাক্রান্ত। বিভিন্ন দেশে যেখানে সংখ্যা গরিষ্ঠ জাতি সংখ্যা লগিষ্ঠ জাতিকে গ্রাস করতে তৎপর। সংখ্যাগুরু ধর্মের লোকেরা সংখ্যালঘু ধর্মের লোকদের সর্বশ্রান্ত করতে জোর উদ্যোমী, এক্ষেত্রে আমাদের প্রিয় স্বদেশ ব্যতিক্রম। আমরা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির ক্ষেত্রে বিশ্ব দরবারে অতুলনীয় উদাহরণ হতে পারি। একটি সংখ্যা গরিষ্ঠ উদার মুসলিম দেশ হিসাবে বাংলাদেশের জন্য তা গর্বের। বাংলাদেশের জন্য বাংলাদেশীদের অবশ্যই গর্বিত হওয়া উচিত।  এদেশ এমনই এক দেশ যেখানে একই সাথে উৎযাপিত হয় রোযা বা ঈদ এবং পূজার অনুষ্ঠান। মুসলমান প্রতিবেশীর চেয়েও হিন্দু প্রতিবেশীর সাথে থাকে বেশি সম্পর্ক। পক্ষান্তরে সাম্প্রদায়িক অসম্প্রীতির দেশ হলো ভারত। গেল বছর সেপ্টেম্বর ২০০৮ সালে হিন্দু দাঙ্গাকারীরা উড়িষ্যায় কমপক্ষে চারটি গির্জা পুড়িয়ে দিয়েছে। এক সপ্তাহেরও বেশী সময় ধরে চলতে থাকা সহিংসতায় ক্ষতিগ্রস্ত কয়েক হাজার মানুষ তাদের বাড়ি-ঘর ছেড়ে আশ্রয় শিবিরে গিয়ে বসবাস করছেন। তাদের বেশিরভাগই খ্রিষ্টান। দাঙ্গার উৎসস্থল কানধামাল জেলাতেও আরো দু’টি গির্জা এবং বেশ কয়েকটি বাড়িতে আগুন লাগানো হয়েছে। উড়িষ্যার চলমান হিন্দু-খ্রিষ্টান দাঙ্গায় নিহত হয়েছে কমপক্ষে ১৬জন। পোপ ষোড়শ বেনেডিক্টসহ ধর্মীয় ও আন্তর্জাতিক নেতৃবৃন্দ এর নিন্দা জানিয়েছেন। সহিংসতা থামাতে ৩০টি জেলায় মোতায়েন করতে হয়েছে কায়েক জাহার পুলিশ ও আধা সামরিক বাহিনীর সেনা সদস্যকে। অন্য ধর্মের প্রতি এমন নগ্ন আক্রোশ আর আক্রমনের নজীর পৃথিবীতে আর কোন দেশে নেই, একমাত্র প্রতিবেশী দেশ ভারত ছাড়া।
    প্রায় ৫৭ হাজার বর্গ মাইল আয়তনের বাংলাদেশে মোট জনসংখ্যা প্রায় ১৫ কোটি। এই সংখ্যার ধর্মীয় দিক থেকে ৮৮ ভাগ মুসলমান, ১০ ভাগ হিন্দু, ০.৬ ভাগ বৌদ্ধ, ০.৩ ভাগ খ্রীষ্টান এবং অন্যান্য জাতি ০.৪ ভাগে বিভক্ত। ধর্মীয় দিক ছাড়াও এই জনগোষ্ঠী আরও বিভিন্ন আঞ্চলিক সম্প্রদায়ে বিভক্ত। এখানকার সংখ্যাগুরু মুসলিম সম্প্রদায় যুগযুগ ধরে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে নিয়ে সুখে-দুঃখে, মিলেমিশে বসবাস করছে। পাকিস্তানের সময়কাল থেকে এপর্যন্ত ৬২ বৎসরের ইতিহাসে এদেশে একটিও সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা হয়নি।
  সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা হল এক বিষধর সাপ। যার ছোবলে ক্ষত-বিক্ষত হয়ে যায় মানুষের মূল্যবান জীবন। বিষয়টি ভাবতেই অবাক লাগে। শুধুমাত্র অন্য সম্প্রদায়ের হলেই একজন মানুষ অন্য মানুষকে যখন-তখন আক্রান্ত করে বসবে। বাড়িÑঘর, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় স্থান জ্বালিয়ে ছাই করে দেবে। রাস্তা-ঘাট, হাট-বাজার, স্কুল-কলেজ, অফিস-আদালতসহ সর্বত্র এক বিভিষিকাময় অবস্থা। যে যাকে মারবে, সে তার অপরাধ খুঁজবেনা, দোষ খুঁজবেনা, শুধু সে অন্য সম্প্রদায়ের, অন্য ধর্মের এই তার অপরাধ। এর চেয়ে বড় জুলুম আর কি হতে পারে? আইয়্যামে জাহেলিয়ার যুগের এই প্রথা আজও বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ভয়াবহ রূপ ধারন করছে। এক্ষেত্রে ধর্ম নিরপেক্ষতার লেবাসধারী দেশ ভারত শীর্ষে। দেশটির এধরনের ঘটনা নিত্য নৈমিত্তিক। ভারতের সংখ্যা গরিষ্ঠ হিন্দুরা সংখ্যালঘিষ্ঠ মুসলমানদের সাম্প্রদায়িকতার ছোবলে নিঃশেষ করে দিচ্ছে। কিন্তু, সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলিম বাংলাদেশে এই পরিস্থিতি আমরা কল্পনাও করতে পারিনা এবং কাম্যও নয়। অনেক সময় দেখেছি, বাজার-হাটে দু’জন মানুষ ঝগড়া করছে, একজন হিন্দু একজন মুসলিম। কেউ মুসলিমের পক্ষে হয়ে সবাই মিলে হিন্দুকে মারছেনা, মুরুব্বীরা ন্যয়-অন্যায় দেখে ঝগড়া মিটমাট করে দিচ্ছে। কখনও কোথাও সংখ্যালঘু কারো সাথে কোন মুসলিম উত্তেজিত হলে মুসলিমদের মধ্য থেইে কেউ প্রতিবাদী হয়ে উঠছে এই বলে, বড় ব্যাটাগিরি দেখানো হচ্ছে তার সাথে, সাহস থাকলে অন্য কারো সাথে দেখাও। তখন ঝগড়ার মোড় ঘুরে যায় প্রতিবাদীর দিকে। আমি বহুবার এই ঘটনা প্রত্যক্ষ করেছি। 

আমাদের দেশের সামাজিক ক্ষেত্রে আন্তধর্মীয় সম্প্রীতি কতইনা উজ্জ্বল। আমার নিকটতম প্রতিবেশী হিন্দু সাধু পরিবার। সকালে সূর্য উদিত হলেই একে অন্যের মুখ দেখতে হয়। আত্মীয় নয়, কিন্তু আত্মীয়ের মতই এক বাড়ির মানুষ অন্য বাড়ির মানুষকে সম্ভোধন করি। একে অন্যের সুখে-দুঃখে অংশ গ্রহণ করি। এই তো ক’মাস পূর্বে প্রতিবেশীর মেয়ের বিয়েতে সাহায্য করতে হলো, যেভাবে নিজের নিকটাত্মীয়ের বিয়েতে সাহায্য করতে হয়।
 বাংলাদেশের যে অঞ্চলে যাদের প্রতিবেশী সংখ্যালঘু সম্প্রদায় রয়েছে তারাতো সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বাস্তব সাক্ষী। ক’বছর পূর্বে বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িকতা আছে বলে সূর উঠেছিল। তখন ইসলামী চিন্তাবিদ, কলামিষ্ট ইসমাঈল হোসেন দিনাজী “কালের কতকথা” নামে একটি কলাম লিখেছিলেন একটি জাতীয় দৈনিকে। এর অংশ বিশেষ তুলে ধরছি, “ভারতের গুজরাটে যখন মুসলমানদের রক্তে কাপলিক হিন্দুরা øান করছে তখন বাংলাদেশের মুসলমানরা প্রতিবেশী হিন্দুদের বুকে টেনে নিচ্ছে। ঘরে আশ্রয় দিচ্ছে। এই ঘটনা আমি দেখেছি টাঙ্গাইলের গোপালপুরে গিয়ে। সেখানেও হিন্দু-মুসলিম মিলে-মিশে সুখে-শান্তিতে আছে, কোন উত্তেজনা নেই, নেই কোন উম্মাদনা। কে মুসলমান, কে উপজাতি, কে হিন্দু কোন ভেদাভেদ নেই। সবাই সমান অধিকার ভোগ করছে। স্কুল কলেজে কোন ভেদাভেদ নেই। হাটে-বাজারে কোনো গোলযোগ নেই, হিন্দু-মুসলিম একসাথে চলছে। লেখা-পড়া করছে, বাজার-হাট সারছে, একই দোকানে বসে চা পান করছে, একই হোটেলে বসে খাওয়া-দাওয়া সম্পন্ন করছে। মুসলমান বরের সাথে হিন্দুরা বরযাত্রী সেজে যাচ্ছে। হিন্দু বরের সাথেও মুসলমান বন্ধুরা বরানুগমণ করছে। এসবই হচ্ছে, এদেশের সনাতন ধারা। এখানে পাঁচ ওয়াক্তে মসজিদে যেমন আযান দেওয়া হয় তেমনি মন্দিরে শংখ কাসার ঘন্টা বাজে। এই মনোহর দৃশ্য কেবল ঠাকুর গাঁয়ের চন্দরিয়াতে নয়, দিনাজপুরের রানী বন্দরে নয়, রংপুরের রাধা বল্লভে নয়, গাইবান্ধার কাচারী বাজারে নয়, লক্ষ্মীপুরের কালী বাজারে নয়, সর্বত্র। সারা দেশে টেকনাফ থেকে তেতুলিয়া একই দৃশ্য, একই পরিবেশ।
  বাংলাদেশে বিভিন্ন জাতি-ধর্মের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের প্রধান নিয়ামক হচ্ছে ৮৮ ভাগ নাগরিকের জীবন ব্যবস্থা ইসলাম। কারণ ইসলামই তার অনুসারীদের সহাবস্থানে নির্দেশ দিয়েছে। তাই এদেশে রাষ্ট্রীয়ভাবে যেমন সাম্প্রদায়িকতাকে প্রশ্রয় দেয়া হয়না, তেমনি ইসলামী নেতৃবৃন্দ ও সাম্প্রদায়িকতার লাগাম টেনে ধরেন। এদেশে ওয়াজ মাহফিলসহ ইসলামী সমাবেশে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির কথা তুলে ধরা হয়। কিন্তু আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশটিতে নরসীমা রাও, বাজপেয়ী, আদভানী, বাল-ঠাকরে, নরেন্দ্রমোদি, বরুন গান্ধীরা রাষ্ট্রীয় ও ধর্মীয় পৃষ্ঠপোষকতায় সাম্প্রদায়িকতার বিষবাস্প ছড়াচ্ছে। সম্প্রতি ভারতের উগ্রসাম্প্রদায়িক দল তাদের নির্বাচনী ইশতেহারে বাবরী মসজিদের স্থলে রাম মন্দির নির্মাণের ঘোষণা দিয়েছে। ১৯৯২ সালে যখন ভারতের বাবরী মসজিদ ভাঙ্গা হয় তখন বাংলাদেশী মুসলমানদের মধ্যে কিছু উত্তেজনা দেখা দেয়। এই উত্তেজনা প্রশমে দেশের আলেম সমাজ ও ইসলামী দল ও লোককে অগ্রনী ভুমিকা পালন করতে দেখা গেছে। বাংলাদেশের প্রধান মুফাচ্ছিরে কুরআনের কন্ঠ থেকে সেদিন শান্তির অমিয় বাণী প্রকাশ পেয়েছিলো। তিনি বলেছিলেন, “আল্লাহ না করুন! যদি ভারতের সব মসজিদ ভেঙ্গে ফেলা হয়, যদি সব মুসলমানকেও হত্যা করা হয়, তবুও বাংলাদেশে একটি মন্দিরও ভাঙ্গা যাবে না, একজন হিন্দুর গায়ে টুন্কোও দেয়া যাবে না। ইহাই ইসলাম”।
  বিশ্বের কোথাও মুসলিমদের উপর যুলুম হলে পৃথিবীর তৃতীয় বৃহত্তম মুসলিম দেশ হিসেবে আমারদের অনুভূতিতে আঘাত লাগে। এজন্য আমরা প্রতিবাদ করি, বিক্ষোভ করি বিশ্ব জনমতকে প্রভাবিত করতে, এদেশের সংখ্যালঘুদের ভীত সন্ত্রস্থ করতে নয়। মুসলিম হিসেবে আমরা আমাদের স্বাতন্ত্রিক পরিচয় লালন করি, স্বকীয়তা বজায় রাখি, কিন্তু সাম্প্রদায়িক বলতে যা বুঝায় তা পরিহার করি। এভাবেই আমাদের দেশে পরধর্ম সহিঞ্চুতা, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও সহাবস্থান সৃষ্টি হয়েছে। আমাদের এই সম্প্রীতি ও সহাবস্থান মহল বিশেষের গাত্রদহনের কারণ হয়ে দাড়িয়েছে। তাই মাঝে-মধ্যে তারা মিডিয়াতে বাংলাদেশ সংখ্যালঘু নির্যাতনের অলীক কলা-কাহিনী তুলে ধরে। এরকম একটি খবর প্রকাশ হয়েছিল ২০০৪ সালে।
 একটি গ্রামে ভিডিওতে দৃশ্যধারণ করা হচ্ছিল একটি কল্পকাহিনীর। কাহিনীটি এরকম- পাজামা-পাঞ্জাবি, টুপি পরিহিত এক মুসলিম যুবক ধূতি পরিহিত এক হিন্দু যুবককে নির্যাতন করছে, অবশেষে যুবকটির নজর পড়লো যখন ধূতির উপর সে তাকে বি-বস্ত্র করে ধূতিটি নিতে তৎপর হচ্ছে আর হিন্দু যুবকটি কাতরতা প্রকাশ করছে ধূতি না খোলার জন্য। প্রিয় পাঠক! বলুনতো বাংলাদেশে এই কল্পকাহিনীর বাস্তবতা আছে কি? ফিল্মের স্যূটিংয়ের বাহানায় তারা তা করেছিল। এলাকার জনগণের তাড়া খেয়ে পরে তাদেরকে পালাতে হলো পত্রিকার অনুসন্ধানী রিপোর্ট জানা যায়, তারা ওইখানে কোন নাটক বা ফিল্মের স্যূটিং করছিলো না, বরং বাংলাদেশে সংখ্যালঘু নির্যাতনের অবাস্তব কাহিনী ধারণ করে বিদেশে পাঠাতে তৎপর ছিল। এভাবে দেশে-বিদেশে বাংলাদেশের সাম্প্রদায়িক, সম্প্রীতির উপর কালিমা লেপনকারীদের রুখে দাড়াতে হবে। কোনো অবস্থাতেই আমাদের সম্প্রীতির মিনার ক্ষতিগ্রস্থ হতে দেওয়া যাবে না। ইহা আমাদের অহংকার, ইহা আমাদের অর্জন। তা অটুট রাখতে পনোরো কোটি বাংলাদেশীকে ঐক্যের দেয়াল গড়ে তুলতে হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *